এফিলিয়েট মার্কেটিং গাইড

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পূর্ণ গাইডলাইন- স্টেপ ১ ( নিশ এবং কিওয়ার্ড রিসার্চ )

এই স্টেপে আমরা নিশ বের করবো। নিশ বলতে বোঝাচ্ছি একটা টপিক যেটার উপর আমাদের সাইটটা বানাবো আমরা।

আপনারা হয়তো জেনে থাকবেন আমি Income School ইউটিউব চ্যানেলের মারাত্মক ভক্ত। তাদের দেখানো পদ্ধতিতেই আমি আসলে কাজ করি। তো Income School এর মালিক রিকি আর জিম একটা আর্টিকেল লিখেছে ৫০ টা নিশ সাইটের আইডিয়া নিয়ে। এই ৫০টা আইডিয়ার সবগুলাই খুব ভালো, আপনি আপনার পছন্দমতো একটা শুরু করতে পারেন। এখানে ক্লিক করলে আর্টিকেলটা পড়তে পারবেন। 

নিশ রিসার্চ করার জন্য এই গাইডলাইনগুলো ফলো করুন

প্রথমেই একটা কথা বলে নিই। ওয়েবসাইট শুরু করার আগে কখনোই এই ব্যাপারগুলা ভাবা যাবেনাঃ

  • আমি কি এই নিশ নিয়ে কাজ করলে টাকা কামাতে পারবো?
  • এইটা নিয়ে কাজ করলে কি সাইট সাক্সেসফুল হবে?
  • কতদিন লাগবে টাকা আসতে? ইত্যাদি ইত্যাদি

শুরু করার সময় টাকার ব্যাপারটা মাথায় আনা যাবেনা। আমি জানি আপনি সাইট বানাচ্ছে টাকা কামানোর জন্যই, কিন্তু ‘টাকা কামাতে হবে’ এইটা ভেবেই যদি আপনি সাইট বানানো শুরু করেন, তবে দিন শেষে আপনার সাইটটা তত ভালো আর্ন করবে না, কারন সাইটটা অথেনটিক হবে না।

যেই ব্যাপারটা প্রথমেই আপনাকে ভাবতে হবে সেটা হলো কিভাবে আমি মানুষকে সাহায্য করতে পারবো। কোন টপিকে আমার ইন্টারেস্ট আছে? কোন টপিক নিয়ে সাইট বানালে ভিজিটর আমার থেকে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবে?

যখন আপনার সাইট ভিজিটরদের কাজে আসবে, তাদের ভালো ইনফর্মেশন দিবে, তখন আপনার সাইটে ভিজিটরের পরিমাণও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে। আর ট্রাফিক যত বাড়বে, তত বেশি ইনকাম হতে থাকবে আপনার সাইট থেকে। তাই ‘কিভাবে আমি আমার ভিজিটরদের সাহায্য করতে পারি’ এই মেন্টালিটি নিয়ে আগানো সবচেয়ে ভালো।

একটা নিশ সিলেক্ট করার আগে এই ব্যাপারগুলা মাথায় রাখা দরকারঃ

  • আপনি যেই নিশ সিলেক্ট করছেন সেই ব্যাপারে আপনার আগ্রহ/প্যাশন থাকা লাগবে। যদি বিন্দু মাত্র আগ্রহও না থাকে, তাহলে ওই নিশে কাজ করে মজা পাবেন না। কিছুদিন যাবার পর আগ্রহ হারানো শুরু করবেন। তাই শুধু টাকার দিকে না তাকিয়ে এমন নিশ সিলেক্ট করেন, যেটা নিয়ে কাজ করতে আপনি আগ্রহ পাবেন।
  • নিশটার উপর আপনার কিছুটা নলেজ থাকলে সেটা প্লাস পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে। যদি নলেজ নাও থাকে, তাহলে কয়েকদিন ওই নিশটার উপর সময় দিন ইউটিউবে ওই নিশের উপর যত ভিডিও আছে দেখে ফেলুন। ব্লগপোস্ট পড়ে ফেলুন যতগুলা পারেন। নিশটাকে নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসতে হবে।
  • প্যাসিভ সাইটের জন্য এমন নিশ সিলেক্ট করা ভালো যেটা Ever Green। Ever Green বলতে বোঝাচ্ছি এমন টপিক যেটার কথা এখন যা আছে, ৫ বছর পরেও তাই থাকবে। যেমন ধরেন আমার সাইট হলো Planting Trees এর উপরে। এখন গাছ লাগানোর ব্যাপারটা এখন যা আছে, ৫ বছর পরেও মোটামোটি তাই থাকবে। অনেক বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আসবে না। তাই এটা Ever Green টপিক। কিন্তু ধরেন আপনি সাইট বানালেন স্মার্টফোন নিয়ে। প্রতি মাসে  নতুন নতুন মডেলের স্মার্টফোন বের হচ্ছে। আপনি আজকে যেই মডেল নিয়ে আর্টিকেল লিখবেন, ৩ মাস পরেই তার থেকেও আপগ্রেডেড মডেল বের হবে। তখন আগের মডেলটা নিয়ে কারো আগ্রহ থাকবেনা ওভাবে। তাই এটা Ever Green টপিক না। আমদের লক্ষ্য রাখা লাগবে নিশটা যেন Ever Green হয়।
  • নিশ সিলেক্ট করার আগে সেটার Google Trend কিরকম তা দেখে নেওয়া উচিত। অনেক নিশ আছে যেগুলা প্রচন্ড সিজনাল, মানে বছরের কিছু সময় মানুষ সার্চ করে, বাকি সময় করেনা । এধরনের নিশ সিলেক্ট করলে আপনি শুধু বছরের অল্প কিছু সময়েই ভালো আর্ন করতে পারবেন, বাকি সময় পারবেন না। তাই আমাদের এমন নিশ সিলেক্ট করতে হবে যেটার Google Trend curve প্রায় flat, মানে সারাবছরই মানুষ যেটা নিয়ে সার্চ করে। তবে এক্ষেত্রে মনে রাখা ভালো, এমন কোনো নিশ নাই যেটার গুগুল ট্রেন্ড একেবারে ফ্ল্যাট, সব নিশেরই কিছু না কিছু সিজনালিটি আছে। আমাদের এমন একটা নিশ পছন্দ করতে হবে যেটার সিজনালিটি তুলনামুলক ভাবে কম।
  • আমাজনে একেক ক্যাটাগরির প্রোডাক্টএর কমিশন স্ট্রাকচার একেকরকম। তাই নিশ সিলেক্ট করার টাইমে এমন নিশ সিলেক্ট করা দরকার যেটায় আমাজন একটা ভালো পার্সেন্টেজ এর কমিশন দেয়। কোন কোন ক্যাটাগরির প্রোডাক্ট এর উপর আমাজনের কমিশন স্ট্রাকচার কেমন তা দেখতে এখানে ক্লিক করুন!

কিভাবে বুঝবো আমি যেই নিশ সিলেক্ট করেছি সেটা থেকে টাকা কামানো যাবে?

দুনিয়াতে এমন টপিক খুব কমই আছে যেটা দিয়ে টাকা আর্ন করা যায়না। হ্যা এটা ঠিক কিছু কিছু টপিক বেশি ভালো কাজ করে অন্যান্য টপিকের চেয়ে। তাই বলে একদমি টাকা আসবেনা কোনো টপিক/নিশ থেকে সেটার সম্ভাবনা অনেক ক্ষীণ। আপনি যদি আপনার সিলেক্টেড নিশের উপর ভালো একটা সাইট বানান, তাহলে ট্রাফিক পাবেন। আর ট্রাফিক পাবেন মানে আপনি সাইট থেকে আর্ন করতে পারবেন। একটা সাইট থেকে আর্ন করার অনেক পদ্ধতি আছে, যেমনঃ

  • এফিলিয়েট মার্কেটিং করে
  • এড দিয়ে
  • ইনফো প্রোডাক্ট সেল করে ইত্যাদি।

একটা সাইট থেকে কত ভাবে ইনকাম করা যায় সেটা জানতে এই আর্টিকেলটা পড়ে ফেলতে পারেন।

কি কি নিশ নিয়ে কাজ না করাই ভালো?

যদিও আম বলেছি এমন কোনো নিশ পছন্দ করতে যেটায় আপনার ইন্টারেস্ট কাজ করে, তা সত্ত্বেও কিছু কিছু নিশ আছে যেগুলায় ইন্টারেস্ট থাকলেও ওগুলা নিয়ে না আগানোই ভালো, কারণ সেগুলা প্রচন্ড কম্পিটিটিভ। যেমনঃ

  • Personal Finance (e.g. make money online, how to earn money, business, marketing etc)
  • Health (any niche related to health)
  • Cooking, Recepie etc.

কিভাবে একটি নিশের কম্পিটিশন এনালাইসিস করতে হয়?

এই ধাপটা অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ভালোভাবে একটা নিশের কম্পিটিশন এনালাইসিস না করে কখনোই সেটা নিয়ে আগানো ঠিক হবে না। এই কম্পিটিশন এনালাইসিস নিয়ে আমি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা আর্টিকেল লিখেছি। তাই এখানে আর এটা নিয়ে কোনো কথা বলছি না।

কম্পিটিশন এনালাইসিস এর উপর আর্টিকেলটা পড়তে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

আর্টিকেলটা অবশ্যই পড়ে নিবেন। এখনই পড়ে ফেলুন। ওটা না পড়ে এই গাইড ধরে সামনে আগালে কোনো লাভ হবে না।

যদি ঠিক আমার নিশের উপর আরেকটা সাইট থাকে তাহলে কি হবে?

কোনো সমস্যাই হবে না। আপনার শহরে কি শুধু একটা দোকানেই জামা-কাপড় বেচে? অবশ্যই না। হাজার হাজার দোকান আছে যারা একই জামা বিক্রি করছে। তার মানে এই না যে তারা ক্রেতা পাবে না।

একই নিশের উপর আরো সাইট আছে মানে এই না যে আপনার সাইটে কেউ আসবেনা। প্রত্যেকটা সাইটের ধরন আলাদা, যেসব কিওয়ার্ড নিয়ে আর্টিকেল থাকবে সেগুলাও আলাদা হবে, আর্টিকেলগুলোর লেখার স্টাইলও আলাদা হবে। কেউ কেউ আপনার সাইটকে বেশি পছন্দ করবে অন্যান্য সাইটগুলো থেকে। তাই সেম নিশে আরো ওয়েবসাইট থাকলে ভয় পাওয়া যাবেনা

তবে এটা দেখা লাগবে, খুব খুব বেশি সাইট যেন না থাকে আপনার নিশের উপর। যদি এমন হয় যে গুগুল সার্চ রেজাল্টে পেজের পর পেজে আপনার নিশের উপর সাইট আছে, তাহলে সেটা নিয়ে না আগানোই ভালো হবে।

তো এই ছিল মোটামোটি নিশ নিয়ে সব কথাবার্তা। এখন আসুন কিওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে কাজ শুরু করি।

কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে?

কোনো একটা নিশ পছন্দ হলে সেটা ফাইনাল করার আগে আমি দেখি ওই নিশের ভেতর অন্তত ৩০-৩৫ টা ভালো কিওয়ার্ড পাওয়া যায় কিনা, যেগুলার উপর আর্টিকেল লিখে র‍্যাঙ্ক করা সম্ভব। যদি দেখি কিওয়ার্ড পাচ্ছিনা, তাহলে ওই নিশটা আমি বাদ দিয়ে দিই। এতে ধরা খাওয়ার রিস্ক অনেক কমে যায়। আমি যদি আগে থেকেই অন্তত ৩০-৩৫ টা ভালো কিওয়ার্ড বের করতে পারি একটা নিশের ভেতর, তবেই আমি সেই নিশ নিয়ে আগানোর চিন্তা করি ।

প্রথমে আমি আমার পছন্দের নিশের ভেতর KGR কিওয়ার্ড বের করি। KGR বলতে বোঝায় Keyword Golden Ratio. এটা মূলত প্রথম বের করেন Doug Cunnington নামের একজন মার্কেটার। এটা মূলত হলো একটা ফর্মুলা যেটা দিয়ে খুব লো কম্পিটিটিভ কিওয়ার্ড খুজে বের করা যায়।

আমি একটা নতুন সাইটের প্রথম ১০-১৫টা আর্টিকেল সবসময় KGR কিওয়ার্ড দিয়ে করার চেষ্টা করি। এর কারণ হলো, একটা সাইট যখন নতুন থাকে, তখন সেটার অথরিটি খুব কম থাকে। তাই তখন ভারী ভারী কিওয়ার্ড টার্গেট করে র‍্যাঙ্ক করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়। একারণে আমি অন্তত প্রথম ১৫টা আর্টিকেল চেষ্টা করি KGR কিওয়ার্ড দিয়ে লিখতে। যেহেতু KGR কিওয়ার্ডগুলো খুব লো কম্পিটিশনের হয় তাই ৮০-৯০% ক্ষেত্রে সেগুলা র‍্যাঙ্ক করে, একটা নতুন সাইটেও। তবে এটা ভেবে বসবেন না যে আজকে আর্টিকেল লিখলাম আর কালকেই সেটা র‍্যাঙ্ক করবে। একটা ব্র্যান্ড নিউ সাইটে KGR কিওয়ার্ড দিয়ে আর্টিকেল লিখে সেটা গুগুলে র‍্যাঙ্ক করতে মোটামোটি ২-৩ মাস লেগে যায়। আর সব যে র‍্যাঙ্ক করবে এমন কোনো গ্যারান্টিও দেওয়া যায়না। আমি দেখেছি মোটামোট ৮০-৯০% KGR কিওয়ার্ডই র‍্যাঙ্ক করে।

KGR কিওয়ার্ড কিভাবে বের করতে হয় তা নিয়ে আমি বিস্তারিত একটা আর্টকেল লিখেছি। তাই সেটা নিয়ে এখানে আর কিছু বলছিনা। KGR কিওয়ার্ড নিয়ে আমার আর্টিকেলটা পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

যখন আপনি অন্তত ১৫টা KGR কিওয়ার্ড পাবেন আপনার নিশের ভেতর, এরপর আরেকটু বড় বড় কিওয়ার্ড খুজে বের করতে হবে।

আমি কিওয়ার্ড রিসার্চের জন্য কোনো রিসার্চ টুল ব্যবহার করিনা, শুধু মাত্র Keywords Everywhere আর AnswerThePublic এই দুইটা টুল ব্যবহার করি। আর গুগুলে মান্যুয়ালি রিসার্চ করি। আমি প্রথমে আমার নিশের উপর র‍্যান্ডমলি বিভিন্ন জিনিস লিখে গুগুলে সার্চ করা শুরু করি। প্রত্যেকটা সার্চ কোয়েরির সাথে গুগুল এর সার্চ সাজেশন থাকে। ওগুলা থেকে অনেক কিওয়ার্ডের আইডিয়া পাওয়া যায়। এছাড়াও আপনি যদি Keywords Everywhere প্লাগইনটা ইন্সটল করে থাকেন, তবে দেখবেন যে কোনো একটা সার্চ কোয়েরি লিখে গুগুলের সার্চ করলে ডানদিকে আরো অনেক রিলেটেড সার্চ কোয়েরি দেখাচ্ছে। এগুলা সবই কিওয়ার্ড বের করার জন্য উপযুক্ত।

আমি এভাবে গুগুলের সার্চ সাজেশন, Keywords Everywhere এর Related Keywords এগুলা ঘেটে ঘেটে এমন সব কিওয়ার্ড বের করি যেগুলার সার্চ ভল্যুম মোটামোটি ভালো, কম্পিটিশন কম।

একটা কিওয়ার্ডের কম্পিটিশন কেমন তা বের করার জন্য নিচের টিপস গুলা ফলো করতে পারেনঃ

  • কিওয়ার্ডটা লিখে গুগুলে সার্চ করলে যেই সার্চ রেজাল্টগুলো আসবে, সেগুলা আপনার কিওয়ার্ডকে খুব ভালোভাবে টার্গেট না করে, তাহলে বুঝতে হবে কিওয়ার্ডটার কম্পিটিশন কম। যেমন ধরুন আমি গুগুলে সার্চ করলাম “night photography settings nikon d750” এটা লিখে। একটা সার্চ রেজাল্টও কিন্তু এই কিওয়ার্ডটাকে ঠিকমতো টার্গেট করেনি। তার মানে কিওয়ার্ডটার কম্পিটিশন কম।
  • কিওয়ার্ড লিখে গুগুলে সার্চ করলে ধরেন দেখা গেল ১০টা রেজাল্টের ভেতর কয়েকটা আপনার কিওয়ার্ডকে ভালো ভাবে টার্গেট করেছে। কিন্তু সেই কন্টেন্টগুলোর কোয়ালিটি খুব লো। তাহলে আপনি খুব সহজেই আপনার কম্পিটিটরদের থেকে একটা ভালো কোয়ালিটির আর্টিকেল লিখে তাদের থেকে ভালো র‍্যাঙ্ক করতে পারবেন। যদি দেখেন আপনার কম্পিটিটর যে আর্টিকেল লিখেছে সেটার লেন্থ অনেক কম (৫০০-১০০০ ওয়ার্ডের মতো), ঠিকমতো ফর্ম্যাট করেনি আর্টিকেলটা, ভালোমতো আর্টিকেলটা প্রেজেন্ট করেনি তাহলে বুঝতে হবে সেটার থেকে ভালো একটা আর্টিকেল লিখলেই আপনার আর্টিকেলটা আরো ভালো র‍্যাঙ্ক করবে। কম্পিটিটর থেকে ভালো আর্টিকেল লেখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আর্টিকেলের লেন্থ বাড়ানো। যদি আপনার কম্পিটিটরের আর্টিকেল হয় ১০০০ ওয়ার্ডের, আপনার অন্তত ১৫০০ ওয়ার্ড টার্গেট করা উচিত। এছাড়াই আর্টিকেলটা ইউনিক হতে হবে, কোনো গ্রামাটিক্যাল ভুল থাকা যাবেনা, ঠিকমতো ফর্ম্যেট করা থাকতে হবে এবং প্রেজেন্টেশন ভালো হতে হবে।
  • যদি আপনি কোনো একটা কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করে দেখেন যে প্রায় সবগুলা রেজাল্টই আপনার কিওয়ার্ডকে টার্গেট করেছে, তাহলে সেটা নিয়ে না আগানোই ভালো হবে। যেমন আমি যদি “how to take night photos with iphone” লিখে গুগুলে সার্চ করি, তাহলে দেখা যাবে প্রায় সব রেজাল্টই এই কিওয়ার্ডকে টার্গেট করেছে। তাই এটা নিয়ে না লেখাই ভালো হবে কেননা এটার কম্পিটিশন অনেক বেশি।

কিওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে আমার আরো কিছু লেখা আছে। ওগুলা পড়লে কিওয়ার্ড রিসার্চের উপর আপনার ধারনা আরো পরিষ্কার হবে আশা করিঃ

 

পরবর্তী স্টেপ ২ এ যান >>

<< আগের স্টেপ ০ এ যান