Google E.A.T Algorithm: যে ১০ টি কাজ আপনাকে করতে হবে!

২০১৯ সাল থেকে র‌্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রে গুগল একটি পলিসি মেইনটেইন করে থাকে, যেটাকে বলে E.A.T Algorithm। 

E-A-T মানে হচ্ছে Expertise, Authoritativeness and Trustworthiness । 

একটু যদি খুলে বলি—

হঠাৎ করে আপনার একটা দূর্ঘটনা ঘটে গেলো, আপনি খুবই আহত হয়েছেন। এখন যদি কোনো জদু / মধু / কদু এসে আপনাকে ঔষধ সাজেস্ট করে আপনি নিশ্চয়ই সেটা গ্রহণ করবেন না। অবশ্যই একজন সচেতন মানুষ হিসেবে আপনি আপনার ট্রিটমেন্ট করানোর জন্য একজন ডিগ্রীধারী ডাক্তারের কাছে যাবেন। কারণ, শরীরে আঘাত বা জখম একটা সেনসিটিভ বিষয়।

আপনার কাছে এটা যেমন সেনসেটিভ, গুগলও তাই এরকম কিছু বিষয়কে সেনসেটিভ বলে ধরে রেখেছে। এ কারণে হেলথ, মেডিসিন ইত্যাদি বিষয়ক নিশ গুলো গুগল খুব সহজে র‌্যাংক করে না। যাকে তাকে র‌্যাঙ্কিংয়ে দেয় না।

একটা সেনসিটিভ নিশ নিয়ে যদি কেউ উজুংভাজুং লিখে থাকে- যার কোনো ট্রাস্টেড সোর্স নাই, সেটা যদি র‌্যাঙ্ক করে তাহলে অনেক সাধারণ মানুষ সেটা ফলো করবে এবং বিপদে পড়বে। যার কারণে এসব সেনসেটিভ নিশ নিয়ে খুব ট্রাস্টেড ইনফরমেশন এবং লিংক থাকলে তাহলেই গুগল সেটাকে সাপোর্ট করে এবং র‌্যাংক করায়। এই পলিসিটা হচ্ছে E.A.T Algorithm।

এই algorithm শুধু সেনসেটিভ বিষয় না, গুগল অন্যান্য নিশ এবং সাইটের ক্ষেত্রেও অ্যাপ্লাই করছে৷ অর্থাৎ, যে সাইটের Trust worthiness বেশি, যে ওয়েবসাইটের কনটেন্ট এক্সপার্টদের দিয়ে লেখানো— এই ওয়েবসাইট গুলো বেশি র‌্যাঙ্ক করছে।

এজন্যই গুগল বলে, তোমরা যারা ওয়েবসাইট বানাবে, তোমরা তোমাদের ওয়েবসাইটে E.A.T Algorithm বিল্ড করো কারণ দ্যাট ইজ দ্য ফিউচার!

E.A.T কিভাবে বিল্ড করবো?

E.A.T বিল্ড করার জন্য কিছু হ্যাক রয়েছে৷ এরমধ্যে কিছু হ্যাক হচ্ছে কুইক হ্যাক, আবার কিছু হ্যাক হচ্ছে বছরব্যাপী চলমান! 

তাহলে শিখে নেয়া যাক E.A.T বিল্ড করার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ হ্যাকস।

1.Grammatical Error Free Content:

কনটেন্ট গুলো গ্রামাটিক্যাল ইরর ফ্রী এবং অরিজিনাল হতে হবে। একজন এক্সপার্ট মানুষ কখনোই তার আর্টিকেলে গ্রামাটিক্যাল ভুল করবে না এবং অন্য জায়গা থেকে কপি করে দেবে না। এই দু’টো জিনিস আপনাকে এনশিওর করতে হবে আপনার ওয়েবাসাইটে এই ভুলগুলো করা হয়নি।

2. Outbound Link & Proper Internal Link:

আউটবাউন্ড লিংক শেয়ার। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেটা আপনার মনে রাখা জরুরি। আউটবাউন্ড লিংক, অর্থাৎ অন্যদের লিংক শেয়ারের ক্ষেত্রে সাবধান হওয়া। দেখা গেল, আপনার যারা কম্পিটিটর তারা হলো সদ্য গজানো জদু, মধু এবং কদু৷ আপনি যদি ওদের পথ ধরেই হাঁটেন, ওদেরকে সব লিংক শেয়ার করেন, ওরা যা করছে বা যা নিয়ে কাজ করছে- আপনিও তা-ই করছেন তাহলে আপনিও ওদের সাথে গুলিয়ে যাবেন৷ আপনাকে আলাদা করে চেনা খুবই মুশকিল হবে।

আলাদা করে নিজস্ব একটা পরিচয় তৈরি করতে হলে, আউটবাউন্ড লিংক করার ক্ষেত্রে ক্রেডিবল সোর্সে করা উচিত৷ এই ক্রেডিবল সোর্স কোথায় পাবেন?  খুব হাইলি অথোরিটিটিভ কোনো ওয়েবসাইট যদি থাকে অথবা একাডেমিক জার্নাল, একাডেমিক কনফারেন্স পেপার ইত্যাদি ওয়েবসাইটে লিংক করতে পারেন।

এজন্য, Scholar.google.com এ যাবেন। আপনার আর্টিকেলের যে টপিক সেটা লিখে সার্চ করে দেখবেন যদি এমন কোনো পেপার পান যেটা আপনার টপিক রিলেটেড, তখন এই পেপারে আপনি লিংক করবেন৷

এতে হবে কী, মানুষজন যখন দেখবে আপনি সস্তা কোথাও লিংক না করে হাই জার্নালে লিংক করেছেন তখন অটোমেটিক মানুষ আপনাকে আরো বেশি এক্সপার্ট ভাববে, আরো বেশি ক্রেডিবল ভাববে।

সো, আউটবাউন্ড লিংক করার ক্ষেত্রে নরমাল ওয়েবসাইটে লিংক যে করতে পারবেন না— তা না। কিন্তু, খেয়াল রাখবেন যাতে আপনাকে মানুষ এক্সপার্ট ভাবতে বাধ্য হয়!

এরপর, প্রোপার ইন্টারনাল লিংক করা।

এটা শুধু E.A.T বিল্ড করার জন্য না। কারণ, ইন্টারনাল লিংক এমন একটা জিনিস যেটা সবকিছুতে আপনাকে হেল্প করবে। SEO তে হেল্প করবে, ইউজার ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট বানাতে হেল্প করবে, আপনার ওয়েবসাইটে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ভালো করা সহ এমন অনেক কিছুতে হেল্প করবে। এজন্য প্রোপার ইন্টারনাল লিংক করা জরুরি।

এজন্য জোর করে, চাপিয়ে ইন্টারনাল লিংক করার প্রয়োজন নেই।  এমনভাবে করবেন, যেখানে যেখানে করা যায়। প্রোপার ইন্টারনাল লিংক করার জন্য Link Whisper ইউজ করতে পারেন।

(Link Whisper নিয়ে বিস্তারিত দেখে নিতে পারেন) 

ওয়েবসাইট খুব ছোট হলে নিজে নিজেও ইন্টারনাল লিংক করতে পারবেন।  মোটকথা, ভালো করে ইন্টারনাল লিংক করুন। এতে আপনার ভালো একটা E.A.T বিল্ড হবে।

3. Author Page Create:

বাংলাদেশে এটা ফলো করা হয়না বললেই চলে। অধিকাংশ মানুষই একটা ফেইক নাম, ফেইক ছবি দিয়ে একটা ফেইক অথর প্রোফাইল ক্রিয়েট করে রাখে।

বি প্রাউড অব ইউর ওয়েবসাইট।  লুকিয়ে, চুরিয়ে অন্যের নাম দিয়ে ফেইক পেইজ ক্রিয়েট করার কি দরকার!

নিজের নাম প্রোফাইলে দিলে আপনার ওয়েবাসাইটের কোনো ক্ষতি হবে না।

এক্ষেত্রে আপনি আপনার অ্যাবউট পেইজ দু’টো রাখতে পারেন৷ একটা ওয়েবসাইটের জন্য, আরেকটা আপনার নিজের জন্য। 

যেটা ওয়েবসাইটের জন্য হবে, সেখানে ওয়েবসাইট সম্পর্কে বলবেন। ওয়েবসাইটটা কি সম্পর্কে, কবে শুরু হয়েছে, ওয়েবসাইটটি কোথাও ফিচার হয়েছে কি-না, হলে সেটার লিংক ইত্যাদি। 

আর যেটা নিজের জন্য, সেখানে আপনার সম্পর্কে তথ্য রাখবেন৷ আপনি কে, কি করেন, আপনার কোয়ালিফিকেশন কি, আপনার নিশ নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা কী ইত্যাদি। 

আপনি চাইলে দু’টো পেইজ ক্রিয়েট না করে একটাতেও কাজ সাড়তে পারেন। কিন্তু, একটা হোক বা দু’টো — সবসময়ই খেয়াল রাখবেন যাতে কোনো ইনফরমেশন ফেইক না হয়। এক্ষেত্রে, আপনার ওয়েবাসাইটে রিয়েল ছবি দিতে পারেন। 

মোটকথা, মানুষ যেন বুঝতে পারে এই ওয়েবসাইটের পেছনে যে কলকাঠি নাড়ছে সে ফেইক কেউ না। ট্রাস্টেড হয়ে উঠুন।

4. Participate in your industry!

ধরুন, আপনার অ্যাকুরিয়াম নিয়ে একটা ওয়েবসাইট আছে। এখন আপনি খোঁজ করুন, অ্যাকুরিয়াম নিয়ে আর কার কার ওয়েবসাইট আছে। অ্যাকুরিয়াম সম্পর্কিত অন্যান্য ওয়েবসাইট ওনারদের সাথে যোগাযোগ রাখুন। অ্যাকুরিয়াম সম্পর্কিত সোশ্যাল মিডিয়ায় যত প্ল্যাটফর্ম আছে সেখানে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করুন।

এ বিষয়ে পডকাস্ট হলে সেখানে কথা বলার ট্রাই করুন। এভাবে, আপনি যে নিশ নিয়ে কাজ করছেন সেই বিষয়ে এক্সপার্ট এবং পরিচিত হোন।

এরপর পরিচিতি বাড়লে দেখা গেলো আপনি অ্যাকুরিয়াম রিলেটেড কোনো পডকাস্টের গেস্ট হলেন। তারা আপনাকে একটা লিংক পাঠাবে যে আপনি অমুক, এবং আপনি তাদের তমুক পডকাস্টের গেস্ট।

এইযে লিংকটা তারা পাঠালো, এটা হলো একটা হাই কোয়ালিটি লিংক। যেটা আপনাকে E.A.T বিল্ড করতে হেল্প করবে।

এভাবে ইউটিউবেও কোলাবরেট করতে পারেন। এতে করে আপনার E.A.T বিল্ড হবে। মানুষ বুঝবে যে,  আপনার ওয়েবাসাইটে একটা ট্রাস্টেড অথরিটি রয়েছে। আপনার ক্রেডিবল সোর্স আছে।  এরপর গুগলও আপনাকে ট্রাস্ট করা শুরু করবে।

মোটকথা, আপনার ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্যদের মধ্যে পরিচিত হোন। তাদের ওয়েবসাইট, পডকাস্ট ইত্যাদি থেকে লিংক আনার ট্রাই করুন। এমন না যে, তাদের কাছে গিয়ে লিংক চেয়ে বেড়াবেন। বরং, লিংক আদায় করবেন একটা ভালো সম্পর্কের মাধ্যমে। 

5. Author Box:

আপনি আপনার কনটেন্টের নিচে একটা Author Box রাখতে পারেন।  অর্থাৎ, আপনার যে আর্টিকেলটা সেটা নিচে দু-এক লাইনের একটা Author পরিচিতি থাকবে, আর Author এর একটা ছবি দেয়া থাকবে। যেন, Author এর ছবি বা নামে ক্লিক করে যাতে Author এর অ্যাবাউট পেইজে যাওয়া যায়। যেখানে Author সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা থাকবে। এতে করে হবে কী, প্রতিটি কনটেন্ট কে লিখেছে তার সম্পর্কে গুগল এবং রিডাররা জানতে পারবে। এতে কনটেন্টের Trust worthiness আরো বাড়বে!

6. Legal Page:

ওয়েবসাইটের যত লিগ্যাল পেইজ আছে সেগুলো রাখা জরুরি৷ যেমন, privacy policy, disclaimer, terms of services ইত্যাদি। দেখা যায়, আমরা অনেকেই শুধু Privacy Policy টাই করি। অন্য কিছু করি না বা প্রয়োজন বোধ করি না। আসলে সবকিছুরই প্রয়োজনীয়তা আছে। সবগুলো রাখা জরুরি।

সব লিগ্যাল পেইজ গুলো তো রাখবেনই এবং এইযে লিগ্যাল পেইজ গুলো— আপনার যে প্রাইমারি মেন্যু আছে ওখানে না, বরং ফুটওয়্যারে রাখবেন। কনটেন্টের নিচে স্ক্রল করলে দেখবেন ওখানে আরেকটা মেন্যু রাখা যায়, ওখানে রাখবেন।

এর পাশাপাশি একটা ক্লিয়ার কনটাক্ট পেইজ রাখবেন সেটার মাধ্যমে আপনার সাথে যোগাযোগ করা যাবে। একটা কনটাক্ট ফর্ম দিতে পারেন। আপনার ই-মেইল দিতে পারেন। অর্থাৎ, এমন কোনো ঠিকানা দিন যাতে মানুষ আপনার সাথে ক্লিয়ারলি যোগাযোগ করতে পারে।

7. Essential Certificate:

এই সার্টিফিকেট মূলত একটা ওয়েবসাইটকে সিকিউর করে। HTTP থেকে ওয়েবসাইটকে HTTPS এ নিয়ে যায়। যার কারণে হ্যাকারদের পক্ষে ওয়েবসাইট হ্যাক করা কঠিন হয়ে দাড়ায়।

সার্টিফিকেট ছাড়া ওয়েবসাইট র‌্যাঙ্ক করানো তো মুশকিল হবেই, হতে পারে টেকানোও মুশকিল হয়ে দাড়াবে। এখন এসেসাল সার্টিফিকেট কেনাও লাগে না। অনেক হোস্টিং এটা ফ্রী-তেও দিয়ে দেয়। সো, এটা ইউজ না করার কোনো কারণই নেই। অবশ্যই আপনার একটা Essential Certificate থাকতে হবে।

8. Custom Image:

এমন ছবি রাখুন, যেগুলো আপনি নিজে তুলেছেন অথবা ইন্টারনেটের কোথাও নেই। ম্যাক্সিমাম মানুষই গুগল থেকে ছবি মেরে দেয় অথবা কপিরাইট সাইট থেকে ছবি নিয়ে নেয়। কিন্তু, আপনি যখন নিজের তোলা ছবি দেবেন তখন মানুষ বুঝবে আপনি অবশ্যই আপনার নিশ সম্পর্কে এক্সপার্ট।

এতে করে আপনি হয়ে উঠবেন ট্রাস্টেড সোর্স। আপনার ওয়েবাসাইটের কাস্টম ইমেজ আপনার E.A.T বিল্ড করতে অনেক হেল্প করবে৷ আর যদি আপনার নিশ এমন বিষয়ের ওপর হয় যেটা আপনার কাছে নেই বা বাংলাদেশেই নেই সেক্ষেত্রে ওই টপিক রিলেটেড সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম খুঁজে বের করুন। সেখানকার মানুষজনের কাছ থেকে তাদের তোলা ছবি চেয়ে নিন।

এভাবে কাস্টম ইমেজ ইউজ করলে আপনার অনেক লাভ হবে। দেখা যাবে, আপনার যারা কম্পিটিটর তাদের কাছে কিন্তু আপনার এই ছবিগুলো থাকবে না। কারণ, ছবিগুলো একদম রিয়েল। এজন্য আপনার ওয়েবাসাইটটা আনকমন হয়ে উঠবে আর গুগল এবং রিডার’রাও পছন্দ করবে।

সুতরাং, গুগল থেকে ছবি না নিয়ে একটু কষ্ট করে ছবি তুলে পোস্ট করুন আর ট্রাস্টেড হয়ে উঠুন!

9. Topical Relevance:

এটা দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটা হচ্ছে Side level topical relevance আরেকটা হলো Individual Topical relevance.

ধরুন, আপনার সাইটটি হচ্ছে পোষা প্রাণী রিলেটেড। আপনি প্রথম তিনটা আর্টিকেল দিলেন পাখি নিয়ে, তারপর দু’টো দিলেন বিড়াল নিয়ে, তারপর আবার কুকুর নিয়ে আর্টিকেল দেয়া শুরু করলেন। অর্থাৎ, কোনো একটা প্রাণী নিয়ে আপনি স্থায়ী ভাবে লিখছেন না৷

একেক সময় একেকটা প্রাণী নিয়ে লিখছেন। এতে হয় কী, কোনো একটা ক্যাটাগরিও আপনি ভালো ভাবে ফিলআপ করতে পারছেন না৷ এতে টপিক্যাল ভেলেভেন্ট থাকে না, ওয়েবসাইটের অথরিটি গ্রো হয় না। এজন্য যেকোনো একটা টপিক শুরু করলে সেটা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্যবহুল আর্টিকেল লিখতে হবে৷ একটা ক্যাটাগরি সম্পূর্ণভাবে ফিলআপ হবার পরে অন্য ক্যাটাগরিতে যাবেন।

আরেকটা Topical Relevance হচ্ছে কনটেন্ট রিলেটেড।  যখন আপনি কোনো একটা কনটেন্ট লিখতে যাবেন, এমনভাবে লিখবেন যেন কোনো ফাঁকফোকর না থাকে। রিডার যেন কোনো প্রশ্ন নিয়ে বের না হয় আপনার ওয়েবাসাইট থেকে। 

যে টপিক নিয়ে যে তথ্য দেয়ার চেষ্টা করবেন সেটা পুরোপুরি দেবেন। এক্ষেত্রে আপনি যে কীওয়ার্ড নিয়ে লিখবেন সেটা গুগলে সার্চ করলে পিপল অলসো আস্ক কোশ্চেন দেখলে বুঝবেন আসলে আপনার ওই টপিক সম্পর্কে মানুষ কি জানতে চায়, মেইনলি আপনার আর্টিকেলে কোন কোন প্রশ্নের উত্তর রাখতেই হবে।

10. Be Involved with your Niche:

সবচে’ বেস্ট হ্যাক হচ্ছে এটি।

আপনি যখন কোনো টপিক নিয়ে কথা বলবেন তখন আপনার ওই টপিকটা সম্পর্কে জানতে হবে।  এক্ষেত্রে যদি আপনি ওই বিষয়ে দক্ষ হোন তাহলে আপনাকে কেউ টেক্কা দিতে পারবে না৷ এজন্য, কোনো টপিক নিয়ে কনটেন্ট বানানোর আগে যদি ওই টপিক নিয়ে কাজ করেন তাহলে আরো দক্ষ হয়ে উঠবেন।

যেমন, প্রথমেই বলা হয়েছে মানুষ অবশ্যই জদু,মধু বা কদুর সাজেশনের চেয়ে একজন ডক্টরের সাজেস্ট করা মেডিসিনের ওপর ভরসা করবে বেশি। কারণ, সে এটার ওপর দক্ষ।

যদি আপনার নিশ হয় অ্যাকুরিয়াম রিলেটেড, চেষ্টা করুন একটা অ্যাকুরিয়াম বানানোর। যদি আপনার নিশ হয় পোষা প্রাণী রিলেটেড, চেষ্টা করুন কোনো পোষা প্রাণী বাসায় নিয়ে আসতে।

এতে হবে কী, আপনি আপনার কনটেন্টের জন্য কাস্টম ইমেজ তুলতে পারবেন, ইউটিউব চ্যানেল ক্রিয়েট করতে পারবেন, অন্যদের কোশ্চেনের আন্সার পাবেন।  এছাড়াও আরো অনেক অনেক সুযোগ সুবিধা পাবেন।

সবশেষে, একটা সতর্কতা— যথাসম্ভব Why And Why নিশে না যাওয়ার চেষ্টা করবেন। কারণ, উপরের হ্যাক গুলো এই নিশে ট্রাই করলেও ভালো করার চান্স খুব কম।

Why And Why নিশ হচ্ছে- হেলথ, মেডিসিন, মানি ইত্যাদি সেনসিটিভ টপিক রিলেটেড নিশ। এসব নিশ নিয়ে কাজ না করাই বেটার!

Similar Posts