একটা অ্যাফলিয়েট সাইট বানাতে কত টাকা লাগে?

অনেকেই ভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হাজার হাজার টাকা ইনভেস্ট করতে হয়। আসলে ব্যাপারটা তা নয়। চাইলে খুব অল্প টাকা ইনভেস্ট করে এবং কিছু প্রয়োজনীয় স্কিল ডেভলপ করে একটা ভালো সাইট বানানো সম্ভব । আমার আজকের লেখাটিতে একটি অ্যাফলিয়েট সাইট বানাতে কত টাকা খরচ করতে হয়, সে সম্পর্কে জানাবো আপনাদের।

একটি অ্যাফলিয়েট সাইট বানাতে ডোমেইন, হোস্টিং, ব্যাকআপ সলিউশন, লোগো, প্লাগিনস, ইমেজ, কন্টেন্ট, Plagiarism চেকার টুল ইত্যাদি অনেক কিছুরই প্রয়োজন পড়ে। তবে এখানে উল্লিখিত বেশিরভাগ জিনিসই অপশনাল।

আপনি চাইলে এগুলো ব্যবহার করতে পারবেন,আবার বাজেট কম থাকলে ব্যবহার না করলেও তেমন কোন ক্ষতি হবে না। কিছু কিছু জিনিসের আবার বিকল্প ফ্রি সমাধানও আছে। তবে একটি অ্যাফলিয়েট সাইট বানাতে যে দু’টো জিনিস অবশ্যই কিনতে  হয়, তা হলো – ডোমেইন এবং হোস্টিং।

আপনি আর্টিকেল লেখা জানলেই ডোমেইন হোস্টিং কিনে অ্যাফলিয়েট মার্কেটিং শুরু করে দিতে পারবেন। আমিও এভাবেই কাজ শুরু করেছিলাম। ডোমেইন হোস্টিং কিনে ফ্রি থিম দিয়ে সাইট বিল্ড করে আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করতাম।

চাইলে আপনিও এভাবেই কাজ শুরু করতে পারেন। অথবা বাজেট বেশী থাকলে অন্যান্য জিনিসেও টাকা ইনভেস্ট করতে পারেন চাইলে। তাহলে আরও বেটার রেজাল্ট পাবেন।

সে যাই হোক, এখন চলুন বিস্তারিতভাবে সবগুলো জিনিসের খরচ সম্পর্কে জেনে নেই। 

হোস্টিং 

হোস্টিং কেনার জন্য তিন ধরনের অপশন আছে।  

১. লো রেইঞ্জ

২. মিডিয়াম রেইঞ্জ এবং

৩. হাই রেইঞ্জ

প্রয়োজন অনুসারে আপনি দেশী কিংবা বিদেশি যেকোন কোম্পানি থেকে খুব সহজেই হোস্টিং কিনে নিতে পারেন।

ব্যাক্তিগতভাবে আমার মনে হয় লো রেইঞ্জের জন্য ভালো বাংলাদেশী হোস্টিং কোম্পানি হলো Exonhost.  এই কোম্পানিটির সার্ভিস বেশ ভালো এবং একবছরের জন্য মাত্র ২২৫০ টাকা খরচ হবে আপনার। এরপর প্রতি বছর আপনাকে হোস্টিংটি রিনিউ করে নিতে হবে। এছাড়াও আপনি চাইলে অন্যান্য বাংলাদেশী কোম্পানি থেকেও হোস্টিং সার্ভিস নিতে পারেন। কোম্পানিভেদে বিভিন্ন জায়গায় হোস্টিং এর দাম ভিন্নরকম হয়।

এছাড়াও বিদেশি কোম্পানির মধ্যে namecheap ভালো মনে হয় আমার কাছে। এখানে ১ম বছর  মোটামুটি ১৩ ডলারের মতো খরচ পড়বে। এটা হলো নেইম চিপে সর্বনিম্ন হোস্টিং সার্ভিস এর খরচ।  

মিডিয়াম রেইঞ্জের হোস্টিং এর  জন্য আমি আপনাকে সাজেস্ট করবো SiteGround থেকে সার্ভিস নেয়ার জন্য। এখানে সর্বনিম্ন হোস্টিং প্যাকেজ এর সার্ভিসটি নিলে আপনার প্রতিবছর ৬০ ডলারের মতো খরচ পড়বে।

এছাড়াও আরও বিভিন্ন হোস্টিং কোম্পানি আছে। ব্যাক্তিগতভাবে আমি আমার একটা সাইটের জন্য wpx hosting ব্যবহার করি। এই হোস্টিং সার্ভিসটি ব্যবহার করার জন্য আমাকে  প্রতিবছর ২৫০ ডলার পে করতে হয়।

আমার মনে হয় যারা বিগিনার, তাদের হোস্টিং এর পেছনে এতো টাকা খরচ করার কোন মানেই হয় না। আমিও প্রথম নেইম চিপের সবচেয়ে কম রেইঞ্জের হোস্টিংটাই ব্যবহার করতাম। পরে যখন ধীরে ধীরে আমার সাইট থেকে ভালো পরিমাণ টাকা আর্ন হতে শুরু করলো, তখন আমি আমার সাইটটি wpx হোস্টিং এ ট্রান্সফার করি।

ডোমেইন

অনেক কোম্পানিতে হোস্টিং এর সাথে ডোমেইন ফ্রি দেয় একবছরের জন্য। আপনি চাইলে সেসকল কোম্পানি থেকে সার্ভিস নিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার খরচ কম পড়বে। এছাড়াও চাইলে আলাদাভাবেও ডোমেইন কিনতে পারবেন।

Exonhost এ ডট কম ডোমেইন এর দাম ৭৫০ টাকা। আপনি যদি সেখান থেকে ডোমেইন হোস্টিং সার্ভিস নেন, তাহলে আপনার তিন হাজার টাকার মতো খরচ পড়বে।

এছাড়াও নেইম চিপে ১৩ ডলারের হোস্টিং প্যাকেজটা ক্রয় করলে আপনি প্রথম বছরের জন্য ডোমেইন ফ্রি পাবেন। একবছর শেষ হলে এরপর প্রতিবছর নির্দিষ্ট পরিমাণ একটা খরচ দিয়ে ডোমেইন রিনিউ করে নিতে হবে। তাদের রিনিউয়াল ফি প্রায় ১৫ ডলার। 

অপরদিকে সাইটগ্রাউন্ডে কোন এক অজানা কারনে ডোমেইনের দাম প্রচন্ড বেশী। তাদের ডট কম ডোমেইন এর দাম প্রায় বিশ ডলারের মতো! ব্যাক্তিগতভাবে এতো দাম দিয়ে ডোমেইন কেনার কোন যুক্তি দেখি না আমি।

আপনি যদি সাইট গ্রাউন্ডের হোস্টিং ব্যবহার  করার চিন্তাভাবনা করে থাকেন, তাহলে আমি সাজেস্ট করবো সাইট গ্রাউন্ড থেকে হোস্টিং কিনতে এবং নেইম চিপ থেকে ডোমেইন নিতে। তাহলে আপনার খরচ অনেকটাই বেঁচে যাবে।

এছাড়াও wpx থেকে ডোমেইন নিলে  প্রতিবছর ১৩ ডলারের মতো খরচ পড়বে।       

অ্যাফলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনীয় ডোমেইন হোস্টিং এর খরচ তো জানলেন।এবং চলুন জেনে নেই আরও কিছু টুকিটাকি জিনিসের খরচ৷ আপনি চাইলে এগুলোর পেছনে টাকা ব্যয় করতে পারেন। আবার না করলেও সমস্যা নেই।

থিম 

থিম দু’রকমের হয়। পেইড এবং প্রিমিয়াম। আপনি খরচ করতে না চাইলে ফ্রি থিম দিয়েও খুব চমৎকার একটি  সাইট তৈরী করে ফেলতে পারবেন। ফ্রি থিমের মধ্যে kadence থিম বেশ ভালো। এছাড়াও আরও অনেক ভালো ভালো ফ্রি থিম আছে। Astra থিমটি তাদের মধ্যে অন্যতম। 

পেইড থিমের দাম অনেক কিছুর ওপর ডিপেন্ড করে ভিন্নরকম হয়। ব্যাক্তিগতভাবে আমার কাছে ইনকাম  স্কুলের থিম Acabado খুব ভালো লাগে। এটা আমি ব্যবহার করি। এটার বার্ষিক খরচ ৬৭ ডলারের মতো। আর সারাজীবনের জন্য কিনতে চাইলে ১৮০ বা ১৯০ ডলারের মতো খরচ পড়বে।

এছাড়াও আপনি চাইলে Divi থিমও নিতে পারেন। এটার দাম বছরে ৮৯ ডলার করে পড়বে। এছাড়াও আরও কম কিংবা বেশী দামের নানান রকম থিম আছে। প্রয়োজন এবং পছন্দ অনুসারে আপনি যেকোন থিম চ্যুজ করতে পারেন।

৫০ -৬০ ডলারের মধ্যে বেশ ভালো ভালো পেইড থিম পাওয়া যায়। আমি আপনাদের সাজেস্ট করবো অ্যাফলিয়েট সাইটের জন্য থিম চ্যুজ করার ক্ষেত্রে অনেক ফিচার আছে, এমন থিম চ্যুজ না করতে।  কারন বেশী জটিল থিম ব্যবহার করলে সাইট অনেক সময় স্লো হয়ে যায়।

ব্যাকআপ সলিউশন

একটা ওয়েবসাইটের ব্যাকআপ রাখাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ। ব্যাকআপ না থাকলে আপনি হুট করেই নানান বিপদে পড়ে যেতে পারেন। দূর্ঘটনায় আপনার পরিশ্রমে গড়া ওয়েবসাইটের সমস্ত ডেটা হারিয়ে যেতে পারে একদম চিরতরে।

আর এজন্য একটা ওয়েবসাইটের সেইফটির জন্য ব্যাকআপ রাখাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। ব্যাকআপ রাখার জন্য ফ্রি এবং পেইড দু’ধরনের সলিউশনই আছে। ফ্রি সলিউশনগুলো তেমন একটা ভালো মনে হয়নি। আর পেইড সলিউশনগুলোর খরচ এতোই কম, যে আমি সাজেস্ট করবো আপনাকে ব্যাকআপ রাখার জন্য পেইড সার্ভিসটাই নিয়ে নিতে।

আমি ব্যাকআপ রাখার জন্য Manage WP নামের একটা থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করি। তাদের পেইড সার্ভিসটি নিতে হলে প্রতিমাসে মাত্র ২ ডলার খরচ করতে হবে। আপনি যদি আপনার সাইট নিয়ে অনেক বেশি সিরিয়াস হন, তাহলে আমি রেকমেন্ড করবো অবশ্যই একটা পেইড ব্যাকআপ সলিউশন ব্যবহার করুন।

লোগো

শুরুর দিকে আপনি লোগো ছাড়াও সাইট ব্যবহার করতে পারবেন।এছাড়াও চাইলে খুব সহজেই ফ্রিতে লোগো বানাতে পারেন আপনার সাইটের জন্য। ক্যানভা দিয়ে অল্প সময়ে নানান রকম ইউনিক ডিজাইনের লোগো ফ্রিতেই তৈরী করা সম্ভব।

এছাড়াও আপনি চাইলে প্রফেশনাল ডিজাইনার দিয়েও লোগো তৈরী করে নিতে পারেন।ডিজাইনার,  কাজ ও চাহিদা ভেদে বিভিন্ন জায়গায় লোগো তৈরীর খরচ ভিন্নরকম হয়ে থাকে। একটি লোগোর জন্য অনেকে পাঁচ ডলার থেকে শুরু করে ১০০০ ডলার পর্যন্তও খরচ করে থাকে।

ফাইভার থেকে ডিজাইনার হায়ার করে লোগো তৈরি করা যায়। এছাড়া লোকাল ডিজাইনার দিয়েও লোগো তৈরী করে নিতে পারবেন আপনি। আমি বাংলাদেশী একজন ডিজাইনার দিয়ে লোগো তৈরী করেছিলাম। আমার খরচ পড়েছিল ২৫০০ টাকা।

এখন লোগো তৈরীর জন্য খরচ করবেন  নাকি করবেন না, এটা সম্পূর্নই আপনার ওপর ডিপেন্ড করে।

প্লাগিনস

প্লাগিনস ব্যবহার করাও বাধ্যতামূলক না। আপনি চাইলে এটা স্কিপ করতে পারেন। আমি আমার কাজ সহজ করা  এবং সময় বাঁচানোর জন্য link whisper নামে একটা প্লাগিন ব্যবহার করি। এটা দিয়ে মূলত আর্টিকেলগুলোতে ইন্টারনাল লিঙ্ক করা যায়। বড় সাইটের আর্টিকেলগুলোতে ইন্টারনাল লিঙ্ক করার জন্য এ প্লাগিনটা খুবই উপকারী। তবে নতুন সাইটের জন্য এটা ব্যবহার করার দরকার নেই।

এছাড়াও Short Pixel নামের একটা প্লাগিন ব্যবহার করি আমি। এটা দিয়ে মূলত ইমেজ অপ্টিমাইজ করা যায়। এই প্লগিনটি আপনার ওয়েবসাইটে আপলোডকৃত ইমেজকে অটো অপ্টিমাইজ করে দেয়। বেশ ভালো একটা প্লাগিন।

এটার একটা ফ্রি ভার্সনও আছে। বাট ফ্রি ভার্সনটা দিয়ে লিমিটেড সংখ্যক ইমেজ অপ্টিমাইজ করা যায়। অপরদিকে পেইড ভার্সন দিয়ে প্রচুর সংখ্যক ইমেজ অপ্টিমাইজ করা সম্ভব। মান্থলি চার ডলার খরচ করে ১০,০০০ ছবি অপ্টিমাইজ করতে পারবেন আপনি এটা দিয়ে।

এছাড়াও তাদের আর একটা সিস্টেম আছে। সেখানে আপনি ১০ ডলার খরচ করে ১৫০০০ ছবি অপ্টিমাইজ করার ক্রেডিট কিনতে পারবেন। এবং এটার কোন মান্থলি লিমিট নেই।আপনি যখন ইচ্ছে, এটা ব্যবহার করতে পারবেন। তবে আপনি যদি সাইটে  ezoic ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে এধরনের কোন প্লাগিন ব্যবহার করার দরকার নেই। এটা ইমেজকে অটো অপ্টিমাইজ করে। 

ইমেজ

ইমেজ কালেক্ট করার জন্য আপনি চাইলে ফ্রি কিংবা পেইড যেকোন অপশন চ্যুজ করতে পারবেন। unsplash.com, pexels.com সহ আরও অনেক সাইটেই ফ্রিতে স্টক ইমেজ পাওয়া যায়। তবে ফ্রি ইমেজগুলোর কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, অনেকসময় পছন্দমতো মানসম্মত ছবি পাওয়া যায় না, এটাই সমস্যা।  

এক্ষেত্রে আপনি পছন্দমতো আনলিমিটেড ছবি ব্যবহার করতে চাইলে পেইড সার্ভিসের সহায়তা নিতে পারেন। আমি ব্যাক্তিগতভাবে পছন্দমতো ইমেজ সংগ্রহের জন্য ক্যানভা প্রো ভার্সন ব্যবহার করি। তাদের খুব সুন্দর ইমেজ লাইব্রেরির কালেকশন আছে, যা অন্য অনেক দামী ইমেজ লাইব্রেরীর সাব্সক্রিপশনের থেকেও বেটার।

আর এর জন্য প্রতিমাসে মাত্র ১৩ ডলার খরচ করতে হয়। পার্সোনালি ক্যানভা আমার খুবই পছন্দ। আপনি চাইলে ক্যানভা ব্যবহার করতে পারেন। কিংবা অন্য কোন ইমেজ লাইব্রেরির সার্ভিসও নিতে পারেন। সম্পূর্নটাই আপনার ইচ্ছা।

কন্টেন্ট লেখা

কন্টেন্ট অ্যাফলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস। আপনি যদি কন্টেন্ট লিখতে পারেন, তাহলে এক্ষেত্রে  কোন  খরচই পড়বে না আপনার। তবে লিখতে না পারলে প্রফেশনাল রাইটারের সাহায্য নিতে হবে।

বিভিন্ন রাইটার কিংবা এজেন্সির প্রাইস ভিন্নরকম।আপনি চাইলে অনেক ফেসবুক গ্রুপ থেকে খুব সহজেই কম প্রাইসে রাইটার হায়ার করতে পারবেন।প্রতি হাজার ওয়ার্ডে ৩০০- ৫০০ টাকা চার্জ করে তারা।

তবে এক্ষেত্রে দেখা যায় বেশিরভাগ রাইটাররাই  ভালো সার্ভিস দেয় না, কারন তারা অনভিজ্ঞ ও বিগিনার থাকে। ফলে আর্টিকেল লেখার কলাকৌশল কেমনভাবে রপ্ত করতে পারে না। এধরনের রাইটারদের থেকে সার্ভিস নেয়ার সময় আপনাকে অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে।

তাদের আর্টিকেল কোয়ালিটি যাচাই বাছাই করতে হবে। নতুবা ঠকে যাবার সম্ভাবনাই বেশি। একটু ভালো রাইটার দিয়ে আর্টিকেল লেখাতে চাইলে প্রতি হাজার শব্দের জন্য আপনার প্রায় ১০০০-১৫০০ টাকার মতো খরচ পড়বে।  এছাড়া বাইরের দেশে অনেকেই প্রচুর দামে আর্টিকেল লিখে থাকে।

অনেকে প্রতিটি আর্টিকেলের জন্য ১০০ ডলার পর্যন্ত চার্জ করে থাকে। আপনি আপনার সুবিধামতো লো কিংবা মিডিয়াম রেঞ্জের রাইটার দিয়ে আর্টিকেল লিখিয়ে নিতে পারেন৷ তবে সবচেয়ে বেস্ট হবে যদি আপনি নিজেই আর্টিকেল লেখাটা রপ্ত করে ফেলতে পারেন, কিংবা আর্টিকেল লেখার ব্যাপারটা বুঝে নিতে পারেন।

এটা বেশ কাজে দিবে আপনার জন্য। রাইটার আপনাকে ভালো কন্টেন্ট দিচ্ছে নাকি বাজে কন্টেন্ট দিচ্ছে, সেটাও সহজে ধরতে পারবেন।

Plagiarism চেক করার টুল

Plagiarism চেক করার জন্য আমি CopyScape নামের একটা পেইড টুল ব্যবহার করি। অসম্ভব রকমের ভালো একটা টুল।ব্যাক্তিগতভাবে আমি মনে করি এই টুলটা সবার কাছেই থাকা দরকার।দামও খুব কম। এটা নরমালি ক্রেডিট হিসেবে ব্যবহার করার যায়। পাঁচ ডলারের বিনিময়ে পাঁচ ডলারের ক্রেডিট কিনতে পারবেন।

এক্ষেত্রে ১০০০ শব্দের আর্টিকেল চেক করার জন্য আপনার ১০ থেকে ১২ সেন্টের ক্রেডিট খরচ হবে। মাত্র পাঁচ ডলারের  বিনিময়ে আপনি ৩০-৪০ হাজার শব্দের Plagiarism চেক করতে পারবেন। খুবই কম খরচ এটার।

তো একটা অ্যাফলিয়েট সাইট বানাতে এবং ম্যানেজ করতে মোটামোটি এই জিনিসগুলোরই প্রয়োজন পড়ে। আর খরচের হিসাব তো দিয়েই দিলাম। তবে আপনি যদি একদম কম খরচে শুরু করতে চান, তাহলে আমি বলবো ১১০০ টাকা খরচ করে আপনি একটা অ্যাফলিয়েট সাইট মেন্টেইন করতে পারবেন।

এই ১১০০ টাকার হিসাবটা হলো এরকম –

নেইম চিপ থেকে সবচেয়ে কমদামি স্টেলার হোস্টিংসটা ১৩ ডলার  দিয়ে কিনে নেবেন। প্রথম বছরের জন্য ফ্রি ডোমেইন পেয়ে যাবেন। আর নিজের নিজের সাইটের কন্টেন্ট নিজেই লিখে ফেলবেন। তাহলেই হলো!